Home / দুর্ঘটনা / ‘বাংলাদেশ বিমানে আর যেতে ইচ্ছে করে না’

‘বাংলাদেশ বিমানে আর যেতে ইচ্ছে করে না’

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’-এর নিরাপত্তা নির্দেশাবলী সংবলিত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ইন্টারনেটে৷ কিন্তু ভিডিও-র নীচে বিমানের সেবার মান নিয়ে তির্যক মন্তব্যও উঠে এসেছে অনেক৷

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
বিমানে ভ্রমণকালীন নানা ধরনের নিরাপত্তার কথা ভাবতে হয় যাত্রীদের৷ তবে নতুন ভ্রমণকারীরা এর অনেক কিছু সম্পর্কেই আগে থেকে ওয়াকিবহাল থাকেন না৷ এ সব যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি ‘প্রমোশনাল ভিডিও’ তৈরি করেছে৷ চার মিনিটেরও বেশি সময়ের এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে ‘ভাইসব মিডিয়া’ নামের একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলে৷

এ বছরের জুলাই মাসের শুরুতে ‘আপলোড’ হওয়া এ ভিডিওটি এখনও পর্যন্ত দেখা হয়েছে ১৬ লাখেরও বেশিবার৷ ভিডিওটি পছন্দ করেছেন আট হাজারের বেশি মানুষ৷ অন্যদিকে অপছন্দ করেছেন এক হাজারেরও বেশি৷ আর এতে মন্তব্য করেছেন আড়াইশ’ জনেরও বেশি লোকজন৷

বিমান বাংলাদেশের এ ভিডিওটির নীচে যেসব মন্তব্য রয়েছে, তাতে এর সেবার মানের দুর্দশার একটি চিত্র খুঁজে পাওয়া যায়৷ আনোয়ার বিন মাহফুজ নামে একজন মন্তব্য করেছেন – ‘‘বিদেশ থেকে বাড়িতে যাওয়ার জন্য যখন বাংলাদেশ বিমানে গিয়ে বসি, আপনাদের কিছু বাজে কেবিন ক্রুদের ব্যাবহারে আর বাংলাদেশ বিমানে যেতে ইচ্ছে করে না৷ আপনারা চেহারা আর দেশ দেখে মানুষকে ব্যাবহার, মানে কথা বলেন৷ যেমন ইউরোপের যাত্রী হলে ওদের গায়ে পড়ে যান আর মিডেল ইস্টের হলে ওদের সাথে ভালোভাবে কথা বলতে চান না৷”


বিমান যাত্রায় যে ১০টি কাজ করবেন না
বিমানে উঠতে তাড়াহুড়া নয়
একটি বিমানে একসঙ্গে কয়েকশত যাত্রী আরোহণ করেন৷ যাত্রীদের ঠিকভাবে তুলতে তাই বিমান সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন গ্রুপ নম্বরে যাত্রীদের ভাগ করে ফেলেন৷ এরপর সেই নম্বর অনুযায়ী যাত্রীদের বিমানে উঠতে বলা হয়৷ সমস্যা হয়, যখন নম্বরের তোয়াক্কা না করেই অনেকে বিমানে উঠতে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন৷ এটা খুবই বিরক্তিকর ব্যাপার৷ অনেক সময় শুধুমাত্র এ জন্য বিমান ছাড়তে দেরি হয়৷


এম ডি নুরুল হুদা নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘‘এখানে তো দেখি ভালো কথাই বলিতেছেন৷ বিমানে তো এত ভালো দেখি না৷”

রনি তন্ময়ের মন্তব্য, ‘বাংলাদেশ বিমানে একবার ভুল করে উঠেছি, আর নয়৷”

আব্দুল্লাহ আল-মাহফুজ লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশ বিমানের সার্ভিস থেকে বরিশালের লঞ্চের ‘কাস্টমার সার্ভিস’ ভালো৷ বিমানের ‘সিডিউল’ বিপর্যয়, বিমানবালাদের ব্যবহার খুব খারাপ, খাবারও নিম্নমানের৷”

বেলাল হোসেন লিখেছেন, ‘‘প্রবাস থেকে যদি হেঁটে যেতে হয় তার পরেও হেঁটে যাব বাড়িতে….কিন্তু এই বাংলাদেশ বিমানে কখনো যাব না৷”

তবে অনেকেই ভিডিওটি তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ বিমানকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন৷

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *